x

ভুয়া অ্যাকাউন্টের সন্ধান করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। এরপরই তা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, বাংলাদেশ, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়ায় সবচেয়ে বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্ট।
গতকাল বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিয়ে ফেসবুক জানিয়েছে, ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে প্রতারণা করা হচ্ছে। তারা এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

ভুয়া অ্যাকাউন্ট সন্ধানের কাজটি ফেসবুক কীভাবে করছে তার একটা ধারণা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের টেকনিক্যাল ম্যানেজার শবনম শাইক। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করতে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাস্তবতা যাচাই
শাইক জানান, বাস্তবে মানুষ যেভাবে জীবনযাপন করছে, তারই প্রতিফলন ফেসবুকের পাতায় দেখা যায়। ফেসবুক কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে নিশ্চিত। তবে ভুয়া অ্যাকাউন্ট আসলে ঠিক ওইভাবে চলে না। ভুয়া অ্যাকাউন্ট স্পাম ছড়ায় আর ব্যস্ত থাকে কোনো কিছু তৈরি করাতে। তা হতে পারে বিভ্রান্তিকর তথ্যও।
তাই প্রোফাইলের ছবি, নাম ও অন্যান্য তথ্য বাস্তবানুগ হওয়া বাঞ্ছনীয়। না হলে চিহ্নিত হতে পারেন ভুয়া অ্যাকাউন্ট হিসেবে।
ফেসবুকে কর্মকাণ্ড
কনটেন্ট বা তথ্য-উপাত্ত যাচাই ছাড়াও ফেসবুকে ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের ওপরও নজর দিয়েছে ফেসবুক। আর এর মাধ্যমেও ভুয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করার ব্যবস্থা নিয়েছে ফেসবুক। শাইক জানান, অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে ভুয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সফলও হয়েছে ফেসবুক।
লিংক শেয়ার
একই লিংক বারবার শেয়ার করাকে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করে ফেসবুক। এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণে বার্তা আদান-প্রদানের ফলেও ভুয়া অ্যাকাউন্ট হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।
মিথ্যা নয়, বাস্তব
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফেসবুক অবাস্তব বা কাল্পনিক কোনো প্লাটফরম নয়। সংবাদ, ছবিসহ বিভিন্ন উপাত্ত পরিবেশনে ফেসবুক বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে চায়। বিষয়টি নিশ্চিত করতে কয়েক বছর ধরে নিজেদের বিভিন্ন আঙ্গিকে পরিবর্তনও এনেছে। এরই ফলে ভুয়া লাইক বা ভুয়া অ্যাকাউন্টও রাখতে চাইছে না ফেসবুক।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ভুয়া লাইক দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভুয়া লাইক বন্ধ করে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে দিতে চায় না ফেসবুক।