x

বর্তমানে বাংলাদেশে নেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে। মোবাইল কোম্পানিগুলোর চমৎকার অফারের কারণেই হোক বা নিজের প্রয়োজনে। তবে এখন অনেকেই আবার ওয়াইফাই ব্যবহারের দিকে বেশি পরিমাণে ঝুকে পড়ছেন। আসলে ওয়াইফাই থাকলেও তেমন স্পিড পাওয়া যায় না। তাই এটা অনেকের কাছে বিরক্তির কারণ। তবে ওয়াইফাইয়ের গতি কমে যাওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। এর কিছু কারণ আপনি নিজেই পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে সেরে নিতে পরেন। সেরকমই 5টি পদ্ধতির কাথা তুলে ধরা হলো। সেগুলো একবার কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন হয়তোবা আপনার উপকারে আসতে পারে।
রাউটারের ক্ষমতার কাছাকাছি ইন্টারনেট ব্যবহার করুন : রাউটারের ওয়াইফাই সেবা দেয়ার নির্দিষ্ট একটি পরিধি থাকে। এছাড়াও রাউটার থেকে যত দূরে যাওয়া হবে তত রাউটারের গতি কমবে। রাউটার থেকে ওয়াইফাই সিগন্যাল ৩৬০ ডিগ্রি পরিধিতে ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির মধ্যস্থলে রাউটার বসালে চারিদিকে ভালো গতি পাওয়া যাবে। এছাড়া রাউটারের গতি বাড়ানোর জন্য এক্সটেন্ডার বা রিপিটার ব্যবহার করা যেতে পারে।

রাউটারের আসে পাশে কমাতে হবে মানুষের উপস্থিতি : মানুষের শরীর রেডিও তরঙ্গের গতি রোধ করে। রাউটারের আসে পাশে বেশি মানুষ থাকলে রাউটারের গতি বাধাগ্রস্ত হয়। তাই রাউটারকে নির্বিঘ্নে ওয়াইফাই সেবা দেয়ার জন্য রাউটারকে ঘিরে মানুষ না থাকাই উত্তম।

রাউটার রাখার স্থান : ওয়াইফাই ব্যবহার করার জন্য উন্নতমানের রাউটার ব্যবহার করার বিকল্প নেই। তবে রাউটারের সাথে রাউটার রাখার স্থান হতে হবে উপযুক্ত। যতো উঁচুতে রাখা যায় তত রেডিও ওয়েভ পরিধি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যায়।

বড় ফাইল ডাউনলোডে সতর্কতা : পিসিতে বা ল্যাপটপে বড় ফাইল ডাউনলোডের সময় ওয়াইফাইয়ের গতি কমে যায়। বড় ফাইল ডাউনলোডের সময় অন্যান্য ডিভাইসগুলো গতি পায় না। তাই যখন ব্যবহারকারীর সংখ্যা কম থাকে, তখন বড় ফাইল ডাউনলোড করা উত্তম।

দিতে হবে জটিল পাসওয়ার্ড : ওপেন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার ফলে যদি ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় তাহলে রাউটারের গতি কমে যায়। তাই জটিল পাসওয়ার্ড দিয়ে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে হবে। তাহলে স্পিড পাওয়া যাবে মন মতো।